May 12, 2022

পুলিশের অমানবিক লাঠিচার্জ কামতাপুর পিপলস পার্টির আন্দোলনকারীলার উপরা। Kamtapur State Movement

Kamatapur state movement


পৃথক রাজ্যের দাবি (Kamatapur State Movement), কামতাপুরী ভাষার সাংবিধানিক স্বীকৃতি সহ ( demand for Kamatapuri language)  অন্যান্য দাবিদাওয়া নিয়া জাতীয় সড়ক অবরোধ করিল্ কামতাপুর পিপলস পার্টি (ইউনাইটেড)। বিশতবার কামতাপুর পিপলস পার্টির আন্দোলন মালদা, উত্তরদিনাজপুর হাতে কুচবিহারের বিভিন্ন জাগাত চলে। অবরোধ কর্মসূচি চলে সাকাল প্রায় ১১ টা হাতে। পুলিশের অমানবিক লাঠিচার্জ চলে কামতাপুর পিপলস পার্টির আন্দোলনকারীলার উপরা যা বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমত দেখা যায়। 

কুচবিহারের ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কের খাগড়াবাড়ি চৌপতিত প্রায় ৪০ মিনিট ধরি অবরোধ চলে। যার ফলে জাতীয় সড়কত ভালে যানজট দেখা যায়। পুন্ডিবাড়ি থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী অবরোধের জাগাত যায়া পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। কেপিপিইউ জেলা সভাপতি কংসরাজ বর্মন জানান, পৃথক কামতাপুর রাজ্যতো আছেই তার সাথত, কামতাপুর ভাষার সাংবিধানিক স্বীকৃতি, প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলিত এই ভাষাত পঠনপাঠন ও শিক্ষক নিয়োগ, কৃষি ঋণ মুকুবের দাবিও আছে।

অন্যপাকে, কামতাপুর পিপলস পার্টির পক্ষ হাতে খড়িবাড়ি পিডব্লিউডি মোড়ত, মালদার গাজলতও বিক্ষোভ আন্দোলন ও পথ অবরোধ চলে। পৃথক কামতাপুর রাজ্য, কামতাপুরী ভাষার সাংবিধানিক স্বীকৃতির দাবিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের মূল্যবৃদ্ধি প্রতিবাদত এইদিনকা কেপিপি ইউনাটেড বিক্ষোভ দেখায়।

কেপিপি ইউনাইটেডের সেন্ট্রাল কমিটির কালচারাল সেক্রেটারি দুর্লভ সিংহ জানান, সরকারের দুর্নীতি ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদত উমরা ঘাটা অবরোধত শামিল হৈচেন। খড়িবাড়ির এসডিপিও অচিন্ত্য গুপ্তের নেতৃত্বে ১৮ জন আন্দোলনকারীক গ্রেপ্তার করিয়া খড়িবাড়ি থানাত নিয়া যাওয়া হয়। এসডিপিও অচিন্ত্য গুপ্ত কন যে, ‘পথ অবরোধ করির দেওয়া হয় নাই। ঘাটা অবরোধের চেষ্টা করায় ১৮ জন আন্দোলনকারীক গ্রেপ্তার করা হৈচে।’

মালদার গাজোল ব্লকের ঘাকশোল এলাকার ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে কামতাপুর পিপলস পার্টি (KPP)। এইজন্যে অবরোধকারীলার সাথত পুলিশের ধুন্ধুমার কাণ্ড বাধি যায়। অবরোধকারীলার শান্তিপূর্ণ ভাবে আন্দোলনের উপরা অমানবিক লাঠিপেটা করে পুলিশ৷ আটক করা হয় কামতাপুর পিপলস পার্টির সাধারণ সম্পাদক সুভাষ বর্মন সহ সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মীলাক।
কামতাপুর আন্দোলন
আন্দোলনকারীলার উপরা পুলিশের অমানবিক লাঠিচার্জ 


 অবরোধ তুলির যায়া পুলিশের অমানবিক লাঠিচার্জে ভালে হট্টগোল বাধি যায়৷ মালদাত এইজন্যে ভালে উত্তেজনা ছড়ায়৷ কেপিপি সদস্যলার উপরা পুলিশের এই অমানবিক আচরন উত্তরের বুদ্ধিজীবী মহল ভাল চখুত নেয় নাই।  বেকারত্ব দূরীকরণ, কামতাপুরী ভাষার সাংবিধানিক স্বীকৃতি, উত্তরবঙ্গক আলাদা কামতাপুর রাজ্য হিসাবে গঠন করা সহ বিভিন্ন দাবি দাওয়া ছিল আজিকার আন্দোলনত। আন্দোলনত নির্মমভাবে পুলিশের লাঠিচার্জের প্রতিবাদত আগামী দিনত আরো বড়সড় আন্দোলনত নামার হুমকি দিচেন কামতাপুর পিপলস পার্টির নেতাকর্মীলা।

https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=360323369495922&id=100065547848404

May 03, 2022

দুখুনি চম্পা নাটক স্রষ্টা সিদ্বেশ্বর রায়। Siddheshwar Roy

সিদ্ধেশ্বর রায় দুখুনি চম্পা
Siddheshwar Roy 


উত্তর বঙ্গের আকাশ বাতাস মুখরিত "দুখুনি চম্পা" ভাওয়াইয়া নাটকের অধিনায়ক সিদ্বেশ্বর রায়। মহাপন্ডিত উপাধি প্রাপ্ত শিল্পী। ওনার তালিম নিয়ে অনেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি অর্জন করেন। রাজ্য ভাওয়াইয়া প্রতিযোগিতায় বিচারক এর আসন অলংকৃত করেন।

ওনার ঘরের চাটি ভাঙিছে। দোতারার তার ছিড়িছে। আর্থিক সাহায্যের প্রয়োজন। 

April 25, 2022

জিগা গাছের সঙ্গে সই পাতানো। Friendship with Jiga Tree.

 জিগা গাছের সঙ্গে সই পাতানো


(Friendship with Jiga Tree) 

(রাজবংশী লোকাচার, ঐতিহ্য ও প্রথা)

এই ল্যাখাখান শ্রদ্ধেয় ডাঙরিয়া দুলাল রায়ের (Dulal Roy) ল্যাখা। দুলালদার বাড়ি বাংলাদেশের পন্চগড় জেলাত। পুলিশের এ.এস.আই তে চাকুরীরত ছিলেন উমরা। কর্মসূত্রত ঠাকুরগাও জেলাত থাকিতেন। 2020 সালের নভেম্বর মাসত এক বেদনাদায়ক খবরের সাক্ষী হয়া বাইক অ্যাক্সিডেন্টত শ্যাষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। উমরা ছিলেন প্রকৃত সংস্কৃতি সংগ্রাহক। ফেসবুকত নিয়মিত ভাবে কামতা সংস্কৃতি (Kamata Culture) বিষয়ক কোনো না কোনো জিনিস উমরা উপহার দিতেন। জিগা গছের সোদে সই বা সখী পাতানো এইখানো উমার উপহার ছিল। মুই ব্লগের একজন author হিসাবে উমার ল্যখাখান কামতাপিডিয়াত (Kamatapedia) দিয়া উমার কাজক সন্মান দিবার চাং, উমরা যাতে হামারলার সগারে মনত চিরদিন বাচি থাকে। 
Dulal Roy Panchagarh


জিগা গাছের সঙ্গে সই


জিগা গাছ অমরত্বের প্রতীক। জিগা গাছের সঙ্গে সই পাতানো রাজবংশী নারী সমাজের একটি প্রাচীন প্রথা। মৃতবৎসা রমনীরা জিগা গাছের সঙ্গে সই পাতায়। কোন রাজবংশী নারীর সন্তান জন্মের পর মারা গেলে সেই রাজবংশী নারী পরবর্তী গর্ভসঞ্চারের পর জিগা গাছের সঙ্গে সই পাতায়। পঞ্জিকায় দিনক্ষণ ভালো দেখে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
 
সই পাতানোর দিন রাজবংশী নারীটি উপবাসে থাকে। বাড়ি-ঘর লেপা মোছা করে। জিগা গাছের আশে পাশের ঝাড় জঙ্গল পরিষ্কার করে। জিগা গাছের গোড়াতেও লেপা মোছা করে। পূজোর উপকরণ থাকে দই, চিড়া, কলা, বাতাসা, ফুল, তুলসির পাতা ইত্যাদি। পূজোর জন্য কোন পুরোহিত বা অধিকারীর প্রয়োজন হয় না। যে নারী সই পাতায় সেই নারীই পূজারিণী। জিগা গাছটিকে নারী হিসেবে কল্পনা করা হয়। জিগা গাছের ডালে শাখা বেঁধে দেওয়া হয়। মৃতবৎসা নারীটি তার নতুন শাড়ির আঁচল ছিঁড়ে জিগা গাছের শরীরে পেঁচিয়ে দেয়। একজন নারীর মাথা ও কপালের উচ্চতা অনুসারে জিগা গাছে সিঁদুর পরিয়ে দেয়। 

আশেপাশের মহিলাদের মধ্যে একজন ঘটক হয়। মৃতবৎসা নারীটি জিগা গাছের পাশে দাঁড়ায়। ঘটক জিজ্ঞেস করে---  "তোমরা জিগা গাছের গোরোত কিসের বাদে দারাইছেন?"  মৃতবৎসা নারীটি উত্তর দেয়---- "হামরা সই পাতামো।"  ঘটক আবার প্রশ্ন করে--- "সইত্যে সইত্যে সই পাতামেন?" মৃতবৎসা নারী উত্তর দেয়--- "সইত্যে সইত্যে সই পাতামো।"  জিগা গাছ যেহেতু কথা বলতে পারে না সেহেতু জিগা গাছের প্রতিনিধিত্ব করে আরেকজন নারী। মৃতবৎসা নারীটি জিগা গাছকে বলে--- "সই, মোর ছাওয়া জন্মের পর মরি যায়, তুই মোক আশুর্বাদ কর মোর ছাওয়া য্যান্ যুগ যুগ ধরি বাঁচি থাকে।"  জিগা গাছের প্রতিনিধিত্বকারী নারীটি জিগা গাছের হয়ে বলে--- "সই, আজি থাকি সইত্য সইত্য তুই মোর সই হোলো। মুই তোক আশুর্বাদ দিনুং তোর ছাওয়া জন্মের পর আর মরিবান্নয়। যুগ যুগ বাঁচি থাকিবে।" এরপর মৃতবৎসা নারীটি সই জিগা গাছের উদ্দেশ্যে সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করে। রাজবংশী সমাজে সই এর মর্যাদা সমান সমান তাই জিগা গাছের প্রতিনিধিত্বকারী নারীটিও জিগা গাছের হয়ে সই এর উদ্দেশ্যে সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করে। সই পাতানো শেষে উপস্থিত সবাইকে প্রসাদ বিতরণ করা হয়।

এরপর এই জিগা গাছটিকে বাড়ির সবাই শ্রদ্ধার চোখে দেখে। এই জিগা গাছটির ডালপালা কেউ কাটে না। বাড়িতে কোন অনুষ্ঠান হলে মৃতবৎসা নারীটি  কলার পাতায় জিগা গাছের গোড়ায় খাবারের নৈবেদ্য  দিয়ে তারপর নিজে খায়। মৃতবৎসা নারীটি নতুন শাড়ি পড়লে আঁচলের একটা অংশ ছিঁড়ে জিগা গাছের শরীরে পেঁচিয়ে দেয়। মৃতবৎসা নারীটি আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে গেলে জিগা গাছটিকে বলে যায়--- "সই মুই সোদর খাবার যাছো।" মৃতবৎসা নারীটির সন্তানেরা জিগা গাছটিকে 'মাহোই' বলে সম্বোধন করে।

বি.দ্র: একেবারে উপরের ছবিটি নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলার দক্ষিণ চান্দখানা গ্রাম থেকে 2020 সালের আগষ্ট মাস নাগাদ তুলেছিলেন দুলালদা। ছবির রাজবংশী নারীটি জিগা গাছের সঙ্গে সই পাতানোর পর তার কোন সন্তান মারা যায়নি। তিনি তার ছেলে মেয়েদের বিয়ে দিয়েছেন। নাতি নাতনীও পেয়েছেন)।

April 24, 2022

Kamatapuri House Warming Ceremony । কোচ রাজবংশী গৃহ প্রবেশ

 

house warming ceremony
Kamatapuri Koch Rajbanshi House Warming Ceremony

House Warming Ceremony of Kamatapuri Koch Rajbanshi Society

When a new house is built in Kamatapuri Koch Rajbanshi society, a priest or Panjiar or Brahmin is called and he sees a good day to enter the house. On a particular day, an Adhikary thakur or a Kamarupi Brahmin is called in a more affluent family. Many pots are made with banana peel and it is called 'Dhona' or Dhongol. Purohit mashai or brahmin sits in front of the basil tree on a wooden staircase, in front of which it is kept clean water, Tulsi leaves, durba ghas (durba grass) and some flowers. 

Dhona for House warming ceremony
Banana Pot or Kolar Dhona/Dhongol

Priest or Purohit mashai in front of him put an empty dhona. All other Dhonas filled with fragrant rice (atop chal), ripe banana, dahi, water, betel leafs, betel nuts, Then purohut mashai recites mantras, worshiped the basil tree with flowers and place one flower on each banana filled with upachar or prasad items. It is actually Narayan Puja which is done to protect the house and its inhabitants from evil spirits.

Manasapuja or Bishahari puja is performed in some cases so that snakes do not enter the house. After the puja, the priest or purohit mahasai took the dhona in his hand and sprinkled water of piece in entire house. The house is then sacred. Prasad is given to relatives and villagers.

In the evening kirtan (generally Vaishnava kirtan) is organized. The people of the village usually perform kirtan. If the householder is affluent and the ability to feed on full, then professional kirtan team is also brought from outside.

April 21, 2022

কোচ রাজবংশী জাদু মন্ত্র বা বাণ। Koch Rajbanshi Witchcraft

 কোচ রাজবংশী জাদু বা বাণ মারা। 

koch rajbanshi witchcraft

Koch Rajbanshi Witchcraft or Black Magic

কোচ রাজবংশী (Koch Rajbanshi) সমাজে এমন অনেক গুণীন আছেন যারা নির্দিষ্ট ভাবে কারও ক্ষতি করার জন্য তার দিকে জাদু তীর ছুড়তে পারে যাকে বাণ মারা (Baan Mara) বলে। এই তীর চোখে দেখা যায় না। আজকাল অবশ্য সেরকম বাণ মারা ব্যাপার গুলো অত চোখে পড়েনা। ধীরে ধীরে অবলুপ্তির পথে ডিজিটাল যুগের চাপে। 
শেষরাতের দিকে গুণীন বা কবিরাজ নিজের ঘরের মেঝের ওপর একটি রেকাবি রেখে তার ওপর একটি জল ভরতি ধাতুর পাত্র রাখেন। এক পাশে সরষের তেলের একটি প্রদীপ বা গছা রাখা হয়। যে লােকটির উপর বাণ মারা হবে তার নাম করে তিনি জলের ওপর মন্ত্র পড়েন। কিছুক্ষণ পর তিনি জলপূর্ণ পাত্রটিকে রেকাবি দিয়ে ঢেকে উলটে দেন। রেকাবি দিয়ে ঢাকা থাকায় জল পড়ে যায় না। 
প্রদীপ জ্বালিয়ে ওলটানাে জলের পাত্রর ওপর রাখা হয়। সকাল না হওয়া অব্দি তিনি জেগে বসে থাকেন। তারপর বাতি নিবিয়ে সব জিনিস ঘরের এক কোণে সরিয়ে রাখেন। পরদিন সকালে তিনি নিজে বা শিষ্যদের পাঠিয়ে দেখেন বাণ মারা ঠিকঠাক হয়েছে কিনা।
ভুত বা দ্যাও কাউকে ধরলে কোচরাজবংশী কামতাপুরী সমাজে ভোঙর ডাকতে এখনো দেখা যায়। এই ভোঙর এর নিয়ম অনুযায়ী তিনজন থাকে যাদের কে ভঙরিয়া বলে। একজন কবিরাজ বা গুণীন, একজন ঢাকি আর একজন থাকে যার উপর দ্যাও ভর করে তার মাধ্যমে রুগীর কি সমস্যা হয়েছে সেটা জানা যায়। ভোঙর বা ভঙর আজও প্রচলিত গ্রাম গন্জে। ভোঙরে অনেক রুগীকে সুস্থ হতে দেখেছি আমি। যে রুগী সকাল থেকে পাগলের মত আচরণ করছিল অর্থাৎ তার উপর দুষ্ট আত্মা বা জ্বীন ভর করে তাকে পরিচালিত করছিল করছিল। বিকালে ভঙর শেষে সে একেবার সুস্থ, তার মধ্যে আর পাগলামী আচরণ নেই। 

বাণের প্রকারভেদ (Classification of Baan)

কোচ রাজবংশী সমাজে অতীতে যেসব বাণের প্রচলন ছিল তার কয়েকটির কথা নীচে উল্লেখ করা হল - 

বারাে গােপালের বাণ (Baro Gopaler Baan)

এই বাণ মারলে সারা শরীর জ্বলে যায়, মাথায় তীব্র যন্ত্রণা হয়। আর রুগি ১২ ঘণ্টার মধ্যে মারা যায়।

বাণ মন্ত্র 
বারাে গােপাল তের কালী, খসেয়া খা ফল্লার বুকের জালি, কালুয়া কামুনী বাণ বুকে বসিয়া হান্। মুই গেলে ঘুরিস্, মাের গুরু গেলে ঘুরিস্, আর অঝা গেলে বজর খ্যায়া ধরিস।

ট্যাপা বাণ (Tepa Baan)

এই বাণে রুগির তলপেট ফুলে ওঠে। পায়খানা, পেচ্ছাব বন্ধ হয়ে বারাে ঘণ্টার মধ্যে মারা যায়।

বাণ মন্ত্র (Baan Mantra)
নিগুম ব্ৰহ্মাণী, নিগুম নাক, ফল্লার অরং দুয়ার, ব্ৰহ্ম দুয়ার, ডিবুল নাগা, দমে দমে ফল্লার মুখত ডিবুল দিলে যমে।

হাওয়া ট্যাপা বাণ (Haoa Tepa Baan)

এই বাণে হঠাৎ করে পেটে বায়ু জমে আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু হয়।

মেহেরু বুড়ি বাণ (Meheru Buri Baan)

এই বাণ মারলে আক্রান্ত ব্যক্তি পাগল হয়ে যায়।

বাণ মন্ত্র 
মেহেরু মেহেরু বুড়ি তিরফলা সুন্দরী, সরগাে হাতে বুড়ি তুই মনচে দে পাঁও যাহা মনে হাংকু মুই তাহা মনে যা, ফল্লাক ধরিয়া হাটে বাজারে বেড়া।

মাসনা বাণ (Masna Baan)

এই বাণ মারলে আক্রান্ত ব্যক্তির সমস্ত দেহে ঘা হয়।

জুগুনি বাণ (Jugni Baan)

এই বাণে জ্যান্ত অবস্থাতেই আক্রান্ত ব্যক্তিকে শকুনে ছিড়ে খায়। কথিত আছে এই বাণ মারার পর, সত্যিকারের শকুন আকাশে উড়ে আক্রান্ত ব্যক্তির ওপর নেমে আসে। শত শত ভুতুড়ে শকুন কাছের জঙ্গল থেকে বেরিয়ে এসে লােকটিকে আক্রমণ করে খুবলে খেয়ে ফেলে।

বরম বাণ (Borom Baan)

এই বাণ মারার কিছুক্ষণ পর আকাশে এক টুকরা মেঘ দেখা যায়। হঠাৎ করে চরক পড়ে বা বাজ পড়ে এবং লােকটি মারা যায়। এই বাণকে ব্রহ্ম বাণও বলে। 

ব্রহ্ম বাণ মন্ত্র (Brahma Baan Mantra)
কালুয়া কামুনী বাণ মেঘে করে শাণ বাণ, বাণ ছেদ নিয়া হাতে, দ্যাব ধম্ম। তমহা অহেন সাক্ষী, ফল্লাক মারেছ বাণ, বারাে পােহর বাকি।

বাণ মারার সীমাবদ্ধতা (Limitation of Baan Mantra)

কথিত আছে “হাওয়া ট্যাপা বাণ’ ছাড়া অন্য কোনও বাণ নদী পেরােতে পারে না সুতরাং নদীর অন্য পারে থাকা কোনো লােকের ওপর বাণ মারলে সেটি এটি কার্যকরী হয় না। 
অনেক ওঝা আছেন যাঁরা বাণ কাটতে পারেন। একে বলে ‘বাণ ফিরানি’। মন্ত্র পড়ে ওঝা আক্রান্ত ব্যক্তির শরীর থেকে বাণ তুলে যে বাণ মেরেছে তার কাছে সেটি ফেরত পাঠাতেও পারে। এটা সম্ভব হলে যে বাণ ছুড়েছে সে নিজেই নিজের বাণে আক্রান্ত হয়। কখনও কখনও দুই কবিরাজ বা গুণীনের মধ্যে প্রাত্যহিক দ্বন্দ্ব থেকেই যায়।

বাণ ফিরানি মন্ত্র (Baan Firani Mantra)

ত্যাজ বল ফটিং এর থুনি, ফটিং হােইল চার চীর। 
উতাের, দখিণ, পূব, পচিম যায় ফল্লাক মারিছে বাণ, ফিরিয়া য্যায়া তার বুকোৎ হান।
এই মন্ত্র এক নিশ্বাসে তিনবার উচ্চারণ করতে হয়। 

April 20, 2022

মিয়াজাকি বিশ্বের সবচেয়ে দামী আম। Miyazaki Mango information

Miyazaki Mango Cultivation and its benefits

আমাদের দেশে যে কয়েকটি আমের ভ্যারাইটি বিখ্যাত তা হল ল্যাংরা, আলফানসো, হিমসাগর, ফজলি, দশেরি ইত্যাদি। পশ্চিমবঙ্গের মালদার ফজলি আম বা মহারাষ্ট্রের রত্নগিরির আলফানসো সবই ভারত তথা বিশ্বসেরা নাম। প্রতিবছর এই আমগুলি বিদেশে রপ্তানী করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে ভারত। আমের দিন আসা মানেই বাজারে আমের সম্ভার এর দেখা পাওয়া। সবকিছু ছাপিয়ে বাজারে যে আম পাওয়া যাচ্ছে তা হল জাপানের মিয়াজাকি শহরের মিয়াজাকি আম (Miyazaki mango of Japan) এই আম স্বাদেও যেমন দামেও সেরকম, 1কেজি আমের দাম সর্বাধিক 2.5 লক্ষ টাকার মত। 


মিয়াজাকি দামী আম

 

কি এই মিয়াজাকি আম

জাপানের এই বহুমূল্য আম যা তাইও নো তোমাগো (Tayio no tomago) বা এগস অফ সানসাইন (eggs of sunshine)  নামে পরিচিত। কাচা অবস্থায় এই আম বেগুনী বা purple রঙের দেখতে হয় আর পেকে গেলে লাল টকটকে বা অগ্নীলাল রঙের হয়। এই আম কে লাল আম বা Red Mangoও বলা হয়। এক একটা আমের ওজন প্রায় 350 গ্রাম থেকে 500 গ্রামের মত হয় আর এই আমের বিশেষত্ব হল এই আম খুবই মিষ্টি, 15% এরও বেশী চিনির পরিমান (sugar percent) থাকে এই আমে। মিয়াজাকি আম লালন পালনেও ঝক্কি আছে। গরম আবহাওয়া, বেশীক্ষন যাবৎ সূর্যের আলো আর যথেষ্ট পরিমানে বৃষ্টি এই আম চাষের উপযোগী। এপ্রিল থেকে আগষ্ট মাসের মধ্যে এই আম সাধারণত পাওয়া যায়। জাপানের মিয়াজাকি (Miyazaki city of Japan) শহরে 1984 সালে প্রথম এই আমের চাষ হয়েছিল। এই আম যে শুধু সুগন্ধিপূর্ন তা নয় এর পুষ্টিগুণও (nutritive value) অনেক বেশী। মিয়াজাকি আমের পাল্প রসালো জেলির মত। পাকলে নাকি এর খোসা সুদ্ধ খাওয়া যায়। 

April 19, 2022

Fate of Coochbehari people with merger of Coochbehar

Fate of Coochbehari people

Before talking about Cooch Behar merger first question come in mind that whether the merger of independent state (Cooch Behar) with India (Dominion Government) or merged with another state and become a less powerful or less important part of that state. People expected to be part of India with independent state or union territory. But with the effect of political conspiracy became a less important or even very poor condition from social, cultural, economic and obviously political point of view.

I am trying to explore some notes and correspondence regarding Cooch Behar merger with India and then with West Bengal as an ordinary and less important district.

1. Cooch Behar Merger Agreement  - 08/08/1949

2. Letter of V.P. Menon to Maharaja Jagaddipendra Narayan – 30/08/1949

3. Fare well notes of Maharaja Jagaddipendra Narayan – 12/09/1949

4. Letter regarding PRESS NOTE to Press Information Bureu – 28/12/1949

5. PressNote – 28/12/1949

6. Order under 290A regarding merger of Cooch Behar by Chief Secretary New Delhi – 31/12/1949

7. Order (Governor general of India Order) Notification released by West Bengal Home department  - 31/12/1949

8. Governor General Order and create state representative – 25/01/1950

9. Comments by author

Coochbehar meger agreement made between Governor General of India and Maharaja Jagaddipendra Narayan of Coochbehar state in 1949. The details of agreement as follows

Cooch Behar Merger Agreement  

Agreement made this twenty eighth day of August 1949 (08/08/1949) between the Governor General of India and His Highness the Maharaja of Cooch Behar. Whereas in the best interests of the State of Cooch Behar as well as of the Dominion of India it is desirable to provide for the administration of the said State by or under the authority of the Dominion Government-

It is hereby agreed as follows-

Article - 1

His Highness the Maharaja of Cooch Behar hereby cedes to the Dominion Government full and exclusive authority, jurisdiction and powers for and in relation to the governance of the State and agrees to transfer the administration of the State to the Dominion Government on the 12th day of September 1949 (hereinafter referred to as ‘the said day’). As from the said day the Dominion Government will be competent to exercise the said powers, authority and jurisdiction in such manner and through such agency as it may think fit.

Article - 2

His Highness the Maharaja shall continue to enjoy the same personal rights, privileges, dignities and titles which he would have enjoyed had this agreement not been made. Article - 3 :- His Highness the Maharaja shall with effect from the said day be entitled to receive for his lifetime from the revenues of the State annually for his privy purse the sum of Rupees eight lakhs fifty thousand free of all taxes. After him the privy parts will be fixed at Rupees seven lakhs only. this amount is intended to cover all the expenses of the Ruler and his family, including expenses on account of his personal staff, maintenance of his residences, marriages and other ceremonies, etc., and will neither be increased nor reduced for any reason whatsoever. The Government of India undertakes the said sum of Rupees eight lakhs fifty thousand shall be paid to His Highness the Maharaja in four equal installments in advance at the beginning of each quarter from the State Treasury or at such Treasury as may be specified by the Government of India.

Article - 4

His Highness the Maharaja shall be entitled to the full ownership, use and enjoyment of all private properties (as distinct from State properties) belonging to him on the date of this agreement. His Highness the Maharaja will furnish to the Dominion Government before the 15th September 1949, an inventory of all the immovable property, securities and cash balances held by him as such private property. 2 If any dispute arises as to whether any item of property is the private property of His Highness the Maharaja or State property, it shall be referred to a Judicial Officer qualified to be appointed as High Court Judge, and the decision of that Officer shall be final and binding on both parties.

Article - 5

All the members of His Highness’ family shall be entitled to all the personal privileges, dignities and titles enjoyed by them whether within or outside the territories of the State, immediately before the 15th day of August 1947.

Article – 6

The Dominion Government guarantees the succession, according to law and custom, to the Gaddi of the State and to His Highness the Maharaja’s personal rights, privileges, dignities and titles.

Article - 7

No enquiry shall be made by or under the authority of the Government of India, and no proceedings shall lie in any court in Cooch Behar against His Highness the Maharaja, whether in a personal capacity or otherwise, in respect of anything done or omitted to be done by him or under his authority during the period of his administration of that State.

Article – 8

(i)             The Government of India hereby guarantees either the continuants in service of the permanent members of the public services of Cooch Behar on conditions which will be not less advantageous than those on which they were serving before the date on which the administration of Cooch Behar is made over to the Government of India or the payment of reasonable compensation.

(ii)            (ii) The Government of India further guarantees the continuance of pensions and leave salaries sanctioned by His Highness the Maharaja to servants of the State who have retired or proceed on leave preparatory to retirement, before the date on which the administration of Cooch Behar is made over to the Government of India.

Article - 9

Except with the previous sanction of the Government of India no proceedings, civil and criminal, shall be instituted against any person in respect of any act done or purpoting to be done in the execution of his duties as a servant of the State before the day on which the administration is made over to the Government of India. In confirmation whereof Mr. Vapal Pangunni Menon, Advisor to the Govt. of India in the Ministry of States has appended his signature on behalf and with the authority of the Governor General of India and Lieutenant Colonel His Highness the Maharaja Jagaddipendra Narayan Bhup Bahadur, Maharaja of Cooch Behar, has appended his signature on behalf of himself, his heirs and successors.

                    V.P. Menon

                    Advisor to the Govt. of India,

                    Ministry of States

Jagaddipendra Narayan

Maharaja of Cooch Behar

---------****-----------